“I've known rivers: I've known rivers ancient as the world and older than the flow of human blood in human veins. My soul has grown deep like the rivers.” (Hughes, "The Negro Speaks of Rivers) একটা নদীমাতৃক দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ হিসেবে ল্যাংস্টন হিউজের এই কবিতার সাথে আমি প্রায়ই নিজের একটা যোগসূত্র খুঁজে পাই। হিউজ তার জাতিগত পরিচয় বোঝাতে নদীর কথা টেনেছিলেন। ঠিক একইভাবে না হলেও, নিজের শেকড়ের কথা বলতে গেলে আমিও অনেকটা তার সুরেই বলতে পারি; কারণ আমার এলাকার সংস্কৃতি আসলে 'মেঘনা' নদীকে ঘিরেই আবর্তিত। এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স কোর্সে আমরা ‘ইকোসিস্টেম সার্ভিসেস’ বা প্রকৃতি থেকে পাওয়া সুযোগ-সুবিধা নিয়ে পড়ছিলাম। সেখানে যখন ‘সাংস্কৃতিক পরিষেবা’ (cultural services) অংশটা এল, তখন আমার সোশিওলিঙ্গুইস্টিকস কোর্সে শেখা একটা বিষয় মনে পড়ে গেল কীভাবে একটা নদী একটা জায়গার ভূগোল তো বটেই, এমনকি তার ভাষাকেও বদলে দিতে পারে। এই দুই কোর্সের শিক্ষা মিলিয়ে আমি একটা ব্যাপার বুঝতে পারলাম: কোনো জায়গার পরিবেশ বা ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যের কারণে যখন কোনো ভাষা বা উপভাষা নতুন রূপ পায়, সেটা আসলে প্রকৃতির ...
Literature, Film and More.