Skip to main content

অশ্রু কিংবা গতকালের গল্প

এটি ছিল, একটা তুষারস্রোতের মত শুভ্র;
হাটু অবধি নেমে আসা,সোনালী আলো।
যা ছিল বিশ্ব থেকে ফিরে আসা,
নতুন,কিংবা পুরাতন দিনে।
কিন্তু কখনোই,এটি আগামীকাল ছিল না।
প্রার্থনা,এবং কেবলই প্রার্থনা!
একটি আগামীর জন্য,কিংবা অন্ধকারের।
নতুন বছরের প্রার্থনা,
উষ্ণ দিনের প্রার্থনা,
প্রার্থনা একটি উত্তম দিনের।
"প্রভু-
আমায় আরেকটা বছর দিন প্রভু,
একটা দিবস এবং রাত্রি দিন।
যখন মাঝ আকাশে উজ্জ্বল হবে সূর্য,
আমায় আরেকটা আগামীকাল দিন!
হে প্রভু,আমায় একটা সময়, কিংবা প্রার্থনা দিন,
যেখানে কোনো, গতকাল থাকবে না!"
আমি একটা রাত্রি বয়ে আনি,
একটা দিনের শুরু করি,
ডান, কিংবা বাম হস্তে।
যখন দিবসের গোলায়,কোন শস্য ছিল না!
"জীবন চলে গেছে, সর্বস্বান্ত ভিষন!
এখন আমার হাড়ে, মজ্জা নেই,
কিংবা আমার মজ্জায়,এখন হাড় নেই!
বেরিয়ে পড়েছে।
কোন সীসাচ্ছাদিত পর্বত, কিংবা ধুসর স্তনের খোঁজে।"
"একি বলছিস!
পাপ হচ্ছে যে তোর!
তুই তো নরকে যাবি!
তোকে আগুনে দেবে,
মাথা কেটে নেবে!
মরবি! সে খেয়াল আছে তোর?"
"মৃত্যু, এখন শুধুই একটা ভুলের অপেক্ষা।
কিন্তু, আমার চোখে জল কেন প্রভু?
এ মাটিতে যে শোষণ পথ নেই!
এ কান্নায় যে নিদ্রাভঙ্গ হয় না!
তবু জল কেন প্রভু?
আপনি জানেন?
হে ঈশ্বর,হে যিশু আপনি জানেন?
হে আল্লাহ আপনি জানেন?
আপনি জানেন প্রভু?
জানেন আমার চোখে জল কেন?"
৩০ জুন, ২০১৫

Comments

Popular posts from this blog

একজন মডার্নিস্টের মাজার দেখা: “শরীফ উদ্দিনের গান : ওরা এবং ‘অরা’” হেমায়েত উল্লাহ ইমনের প্রবন্ধের পাঠপ্রতিক্রিয়া

প্রাককথন: মাজার ব্যাপারটাকে ইদানীং কালে  বাংলাদেশের প্রগ্রেসিভরা অনেকেই সেলিব্রেট করছেন সালাফিদের আগ্রাসনের এগেইন্সটে। আমার মডার্নিস্ট মন অবশ্য সালাফির জন্য যেমন মাজারের জন্যও তেমন। কারো প্রতিই এইখানে আগ্রহ নাই। কিন্তু এইখানে গুরুত্বপূর্ণ এই যে মাজার যখন ডমিন্যান্ট ছিলো তখন সে মানুষের উপর হামতাম করলেও, এখন সে ডমিন্যান্ট না; উলটো অন্যের ডোমিন্যান্সির স্বীকার। যেকারণে সেলিব্রেট না করলেও তার প্রতি আমার গ্রাজ নাই, বরং তার মানবাধিকার এর পক্ষেই অবস্থান নিবো। কিন্তু দেন এগেইন মাজারই আসল অন্যরা নকল এইসব বলে মাজারকে ওভারগ্লোরিফাই করার লাইনও আসলে আমার না। দিন শেষে দুইটাই প্রবলেমেটিক ইলেমেন্ট আমার রিডিং এ। মাজার তো কাল্টই, এই কাল্টের মহানতার তো কিছু নাই। দেশে আলাপ গুলো চিরকালই অস্তিত্ব রক্ষার নিরিখে হয় দুঃখজনক ভাবে। যেকারণে দেখা যায় পাড় নাস্তিকরা মাজারকে সহিহ ইসলাম বলে সেলিব্রিট করে সালাফিদের উৎপাতের বিপরীতে। যদিও মাজারের এখনকার ঢালাও নিরিহ রুপ তার ক্ষমতা হারানোর সাথে কানেক্টেড। ক্ষমতা থাকতে তার একাধিক রুপ ছিলো। কেউ ডোমিন্যান্ট কেউ এগ্রেসিভ। সেইখানেও আবার ওই সহিহ অসহিহ এর প্রসঙ্গ টানবেন সম্ভব...

সমুদ্রগামী রাজহাঁস, এবং তুমি

স্বর্গের নির্বোধ হুরপরীদের চাই নি বলে, আমি এক স্বেচ্ছা নিমজ্জিত রাজহাঁস- ডুবে যাই সমুদ্র জলে। একটি দ্বীপে, একটি উজ্জ্বল জ্বলজ্বলে দ্বীপে- তোমার বুক স্বর্গে ঢুকে পড়বার আগে- আমি মানুষ নই, এক বিজন শালিক তোমার বুকের তিলে ডুবে গিয়ে স্বর্গবাসী হই। ভূমধ্যসাগর থেকে গ্রিক রমণীর শখের ফিশবোলে যাতায়াতের মাঝে- একটা রঙিন মাছ তুলে দেখি উজ্জ্বল আকাশ। তোমার বুকের তারায় পুড়ে আমি স্বর্গবাসী হই। তবু আমি এক স্বেচ্ছাচারী রাজহাঁস, ডুবে যাই তোমার সমুদ্র চোখে। স্বর্গের নির্বোধ হুরপরীদের, এখন হাঙর ধরার মৌসুম।

অরাজনৈতিক জীবন

আমি একটা অরাজনৈতিক জীবন কাটাই এলাকার কুত্তা ঘেউ ঘেউ কইরা ডাকে আমি প্রচন্ড অরাজনৈতিক জীবন কাটাই এক দুপ্রে ফালগুনী পর্বার পর আমার আর কিছু করার নাই আমার আর কিছু করার নাই বইলা হাংরিদেরই পর্তে থাকি গুরুপাক সাহিত্য আমার প্যাটে সয় না আমি শুনেছি সেদিন নাকি তুমি তুমি তুমি মিলে তোমরা সদলবলে সভা করেছিলে সারে সা সারে সারে সা আমি একটা অরাজনৈতিক জীবন কাটাই টংগে ক্যাপাস্টেন নাই হাইটা কিরণের সাম্নে গিয়া বিড়ি ফুঁকি আকাশ ভ্রমনে গেলে ক্যাপাস্ট্যান পাবো না যখন আকাশ ভ্রমণে যাবো তখন কোবতে কর্তে পার্বো না বইলা আমি হাংরিদের পর্তে থাকি এলাকার কুত্তায় ডাকে ঘেউ ঘেউ ঘেউ ঘেউ আমার চৌকিদারের গায়ে দোতলা থেইকা পানি ঢাইলা দিতে মঞ্চায় কুত্তার আর শিয়ালের ল্যাঞ্জার পার্থক্য নিয়া কেউ কোবতে ল্যাখে নাই দোতলা থেইকা পানি ফালানো নিয়া আমার একটা কাহিনী আছে ছোট বেলার দিকে একবার এক লোকের মাথায় ঢাইলা দিছিলাম মগে কইরা বারান্দায় দাঁড়াইয়া সোজা নিচে এক লোক ছিলো রিকশায় সাইজা গুইজা যাইতেছিলো যেই লোক তার মাথায় ঢাইলা দিছিলাম কাট কাট কাট উপরের প্যারাটা কত ভাবে পড়া যায় গুরুপাক সাহিত্য আমার প্যাটে সয় না কিছু করার নাই বইল...