তোমার সাথে বহুদিন কথা হয় আমার।
ইদানীং বিমর্ষ গ্রীষ্মের মতো,
কী অদ্ভুত চোখে তাকিয়ে থাকো।
আমি ভুলে যাই বাকিসব৷ চুড়ান্তের কবিতাটা কেমন ছিলো, বাহিরে বৃষ্টি হচ্ছে কিনা, তুমি চশমা পরো কি পরো না, তোমার চুল হাঁটু ছুঁয়েছে নাকি কাঁধ, বাজারে পাসপোর্টের কেমন দাম!
একটা প্রচন্ডতার গল্প শোনানো যাক তোমায়।
ভাবছিলাম। তোমার সাথে প্রথম দ্যাখা, কোথায়?
একটা কবিতা কিংবা অসাধারণ ছবির কথা আমার মনে পড়ে।
এই যে বাড়ি ফিরেছি, সারাদেশ বন্ধ হয়ে গেলে-
আমি ক্রমাগত ইতিহাস পড়ি।
"আলাপটা বিশাল৷ ভেংগে ভেংগে করা যাক। তৃতীয় ভূ-স্তর যুগের শেষের দিকে গ্রীষ্ম মন্ডলের গর্ভে নিমজ্জিত-
এক বিশাল মহাদেশে উন্নত কিছুটা মনুষ্যাকৃতির এক বানর জাতির বাস ছিল। ডারউইনের বর্ননায় এদের কথা পাওয়া যায়।"
কথা বলে যাবার জন্য নিতান্তই বাজে চেষ্টা হতে পারে।
নিওপ্রোটারোজোয়িক যুগ নিয়েও আলাপ করা যায়।
তবুও বানরেরা ভালোবাসে, মানবিক হতে চায়।
তোমার আশ্চর্য চোখগুলো দেখি, কয়টা সমুদ্র সেখানে ডুবে গেছে? আমি জানি না।
আমি শুধু জানি, আমাদের নব্য আদীম পূর্বপুরুষদের মতোই পৃথিবীতে ছড়িয়ে গেছি আমরা, মানুষেরা৷
ধ্বংস এবং নির্মানের দ্বান্দ্বিক দশায় মার খাচ্ছি স্বভাবতই।
এমন শীত বসন্তের রাতে হঠাৎ বৃষ্টি হলে মন্দ লাগে না।
তোমাকে শোনাবার জন্য একটা কবিতা লিখে ফেলা যায়।
তোমার চোখে মূলত জমে আছে একটা আস্ত মহাসাগর,
অথচ, আমাদের পৃথিবী থেকে নাকি ভালোবাসা হারিয়ে গেছে!

Comments
Post a Comment