১.
ভয়াবহ যাপনের প্রথম চিহ্ন হিসেবে
বহন করা ভ্রম বা মায়া,
আমার জীবন।
একটি ডুবন্ত জাহাজের মত,
প্রতিটি আবেগ গ্রস্ত বক্রতা-
আমার অস্তিত্ব।
২.
আমার কথা সঙ্গীন হয়ে যাচ্ছে,
একটি সংক্রামক ব্যাধির মতো বিচ্ছিন্ন
হচ্ছে তাদের হৃদয়।
আমি কিনে চলি ফালি ফালি জীবন,
এবং; তাদের চিৎকার।
আমার মৃতদেহের প্রবল ব্যথা হয়ে,
বাজতে থাকে মোজার্ট- সিম্ফনি নম্বর
ফর্টি।
৩.
আমার কম্পমান আত্মা-
বিকৃত কোন কষ্টের স্পর্শে,
তাদের মুখরিত অভিশাপের মতো মহৎ হয়ে ওঠে।
এই অধঃ পতিত কাকেদের গায়ে চাবুক
মারার প্রচণ্ড প্রয়োজন।
৪.
হঠাৎ জেগে উঠবার মতো
কেঁপে কেঁপে দুঃস্বপ্ন দেখি।
একটা বাড়ি, ট্রাক্টর, সুইজারল্যান্ডের কুকুর
জিভ বের করে বসে থাকে, জল পান করে।
সময়ের প্রচণ্ড ক্লান্তি, সময়ের প্রচণ্ড ক্লান্তি।
৫.
ইদানীং মধ্যরাতের সভা কক্ষে,
আলোচনায় আসেন মার্ক্স এবং কাফকা।
নিতান্তই নন এলকোহলিক এবং সাদামাটা
সময় ভেবে, অনুভব করছি- জীবন।
বাকুনিন, হে বাকুনিন
নৈরাজ্য কী আদতেই নিয়ম?
৬.
পরিত্যক্ত জীবনের শেষ চিহ্ন হিসেবে,
রয়ে যাওয়া স্মৃতি-
আমার মায়া।
একটি ডুবন্ত জাহাজের মত,
প্রতিটি আবেগ গ্রস্ত বক্রতা-
আমার অস্তিত্ব।
৭.
আজকাল প্রতিটি সান্ধ্য কালীন আড্ডায়,
কঙ্কালসার পতিত বিপ্লবী এবং
বুদ্ধিজীবী কাকেদের
আমি একটি কবিতা শোনাতে চাই-
জগতের গতিময়তায় সমস্ত পতিত আত্মাকে, আমরা ভুলে যাবো।

Comments
Post a Comment