Skip to main content

জন্মান্তর



প্রার্থনা কাঁপুনি এবং প্রার্থনা
যতক্ষণ হাড় হতে মজ্জা শুকিয়ে আসে, পুরুষের জন্য প্রার্থনা- জন্ম সংরক্ষন।
মৃত চলে যায় বেঁচে থাকা লাশ-
একটা কবরের মাঝে, জমে ওঠা শ্বাস।

তবুও একটি ভিন্ন ধরন ছিল
শিশুসুলভ খেলা ।
তারা বাতাসের মত বিশ্ব সম্পর্কে চলে
কিন্তু সময় প্রার্থনা ছিল
জল্লাদ এর দড়ি কর্তিত ছিল,
এবং ঈশ্বর আমাদের সহায় অথবা নির্মম খুনি।
মৃত চলে যায় বেঁচে থাকা লাশ
একটা কবরের মাঝে জমে ওঠা শ্বাস।

বন্য জলোচ্ছাস, প্রতি জোয়ারে ধূসর ডানা।
চারপেয়ে দড়ি, পেঁচিয়ে ওঠা সাপের ফনা।
নিরিহ মাটির কবর, মৃত্যু,পিপড়া-সাহসী প্রলাপে
মৃত চলে যায় বেঁচে থাকা লাশ
একটা কবরের মাঝে জমে ওঠা শ্বাস।

বছর চালু করি,
নির্বাসিত নিঃসঙ্গতার ব্যথায়।
মৃত চলে যায়-আসে বেঁচে থাকা লাশ, একটা কবরের ভিতর, জমে ওঠা শ্বাস।

Comments

Popular posts from this blog

একজন মডার্নিস্টের মাজার দেখা: “শরীফ উদ্দিনের গান : ওরা এবং ‘অরা’” হেমায়েত উল্লাহ ইমনের প্রবন্ধের পাঠপ্রতিক্রিয়া

প্রাককথন: মাজার ব্যাপারটাকে ইদানীং কালে  বাংলাদেশের প্রগ্রেসিভরা অনেকেই সেলিব্রেট করছেন সালাফিদের আগ্রাসনের এগেইন্সটে। আমার মডার্নিস্ট মন অবশ্য সালাফির জন্য যেমন মাজারের জন্যও তেমন। কারো প্রতিই এইখানে আগ্রহ নাই। কিন্তু এইখানে গুরুত্বপূর্ণ এই যে মাজার যখন ডমিন্যান্ট ছিলো তখন সে মানুষের উপর হামতাম করলেও, এখন সে ডমিন্যান্ট না; উলটো অন্যের ডোমিন্যান্সির স্বীকার। যেকারণে সেলিব্রেট না করলেও তার প্রতি আমার গ্রাজ নাই, বরং তার মানবাধিকার এর পক্ষেই অবস্থান নিবো। কিন্তু দেন এগেইন মাজারই আসল অন্যরা নকল এইসব বলে মাজারকে ওভারগ্লোরিফাই করার লাইনও আসলে আমার না। দিন শেষে দুইটাই প্রবলেমেটিক ইলেমেন্ট আমার রিডিং এ। মাজার তো কাল্টই, এই কাল্টের মহানতার তো কিছু নাই। দেশে আলাপ গুলো চিরকালই অস্তিত্ব রক্ষার নিরিখে হয় দুঃখজনক ভাবে। যেকারণে দেখা যায় পাড় নাস্তিকরা মাজারকে সহিহ ইসলাম বলে সেলিব্রিট করে সালাফিদের উৎপাতের বিপরীতে। যদিও মাজারের এখনকার ঢালাও নিরিহ রুপ তার ক্ষমতা হারানোর সাথে কানেক্টেড। ক্ষমতা থাকতে তার একাধিক রুপ ছিলো। কেউ ডোমিন্যান্ট কেউ এগ্রেসিভ। সেইখানেও আবার ওই সহিহ অসহিহ এর প্রসঙ্গ টানবেন সম্ভব...

সমুদ্রগামী রাজহাঁস, এবং তুমি

স্বর্গের নির্বোধ হুরপরীদের চাই নি বলে, আমি এক স্বেচ্ছা নিমজ্জিত রাজহাঁস- ডুবে যাই সমুদ্র জলে। একটি দ্বীপে, একটি উজ্জ্বল জ্বলজ্বলে দ্বীপে- তোমার বুক স্বর্গে ঢুকে পড়বার আগে- আমি মানুষ নই, এক বিজন শালিক তোমার বুকের তিলে ডুবে গিয়ে স্বর্গবাসী হই। ভূমধ্যসাগর থেকে গ্রিক রমণীর শখের ফিশবোলে যাতায়াতের মাঝে- একটা রঙিন মাছ তুলে দেখি উজ্জ্বল আকাশ। তোমার বুকের তারায় পুড়ে আমি স্বর্গবাসী হই। তবু আমি এক স্বেচ্ছাচারী রাজহাঁস, ডুবে যাই তোমার সমুদ্র চোখে। স্বর্গের নির্বোধ হুরপরীদের, এখন হাঙর ধরার মৌসুম।

অরাজনৈতিক জীবন

আমি একটা অরাজনৈতিক জীবন কাটাই এলাকার কুত্তা ঘেউ ঘেউ কইরা ডাকে আমি প্রচন্ড অরাজনৈতিক জীবন কাটাই এক দুপ্রে ফালগুনী পর্বার পর আমার আর কিছু করার নাই আমার আর কিছু করার নাই বইলা হাংরিদেরই পর্তে থাকি গুরুপাক সাহিত্য আমার প্যাটে সয় না আমি শুনেছি সেদিন নাকি তুমি তুমি তুমি মিলে তোমরা সদলবলে সভা করেছিলে সারে সা সারে সারে সা আমি একটা অরাজনৈতিক জীবন কাটাই টংগে ক্যাপাস্টেন নাই হাইটা কিরণের সাম্নে গিয়া বিড়ি ফুঁকি আকাশ ভ্রমনে গেলে ক্যাপাস্ট্যান পাবো না যখন আকাশ ভ্রমণে যাবো তখন কোবতে কর্তে পার্বো না বইলা আমি হাংরিদের পর্তে থাকি এলাকার কুত্তায় ডাকে ঘেউ ঘেউ ঘেউ ঘেউ আমার চৌকিদারের গায়ে দোতলা থেইকা পানি ঢাইলা দিতে মঞ্চায় কুত্তার আর শিয়ালের ল্যাঞ্জার পার্থক্য নিয়া কেউ কোবতে ল্যাখে নাই দোতলা থেইকা পানি ফালানো নিয়া আমার একটা কাহিনী আছে ছোট বেলার দিকে একবার এক লোকের মাথায় ঢাইলা দিছিলাম মগে কইরা বারান্দায় দাঁড়াইয়া সোজা নিচে এক লোক ছিলো রিকশায় সাইজা গুইজা যাইতেছিলো যেই লোক তার মাথায় ঢাইলা দিছিলাম কাট কাট কাট উপরের প্যারাটা কত ভাবে পড়া যায় গুরুপাক সাহিত্য আমার প্যাটে সয় না কিছু করার নাই বইল...